John Smith

I am a Writer

John Doe

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat. Ut wisi enim ad minim veniam, quis nostrud exerci tation ullamcorper suscipit .
Erat volutpat. Ut wisi enim ad minim veniam, quis nostrud exerci tation ullamcorper.

  • 3066 Stone Lane, Wayne, Pennsylvania.
  • +610-401-6021, +610-401-6022
  • admin@mydomain.com
  • www.yourdomain.com
Me

My Professional Skills

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat.

Web Design 90%
Web Development 70%
App Development 95%
Wordpress 60%

Awesome features

Aliquam commodo arcu vel ante volutpat tempus. Praesent pulvinar velit at posuere mollis. Quisque libero sapien.

Animated elements

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Sed tempus cursus lectus vel pellentesque. Etiam tincidunt.

Responsive Design

Pellentesque ultricies ligula a libero porta, ut venenatis orci molestie. Vivamus vitae aliquet tellus, sed mollis libero.

Modern design

Duis ut ultricies nisi. Nulla risus odio, dictum vitae purus malesuada, cursus convallis justo. Sed a mi massa dolor.

Retina ready

Vivamus quis tempor purus, a eleifend purus. Ut sodales vel tellus vel vulputate. Fusce rhoncus semper magna.

Fast support

Suspendisse convallis sem eu ligula porta gravida. Suspendisse potenti. Lorem ipsum dolor sit amet, duis omis unde elit.

0
completed project
0
design award
0
facebook like
0
current projects
  • একচিলতে রোদ

    একচিলতে রোদ

    একচিলতে রোদ






    কনকনে শীত । ঘন কুয়াশায় ঘেরা চারপাশ ,
    একটু দুরেই বাঁধা পড়ে দৃষ্টি । তারপর আবার
    কুয়াশা । গাঢ় , সাদা কুয়াশা ।
    .
    হ র র র . . হট . . হট . .
    দশটি রুগ্ন পা একসাথে একই ছন্দে চলছে ।
    সেই সাথে চলছে রূপালী লাঙল ,
    চলছে জীবনের লাঙল . . . .
    গরু দুটোর স্বাস্থ্যের অবস্থা খুব খারাপ ,
    যতটা ওদের মালিকের । কেমন ঠকঠক
    করে কাঁপছে ওরা , যেমনটা কাঁপছে ওদের
    মালিকও । ওদের গায়ে যেমন কোন কাপড়
    নেই , তেমনি ওদের মালিকের শরীরও প্রায়
    পুরোটাই খালি ।
    পরনে একটা ছেড়া গামছা চাড়া আর কিছুই
    নেই ।
    .
    কলিম শেখের সম্বল বলতে এই দুটো গাই গরু ,
    আর এক টুকরো আবাদি জমি । মাঝেমাঝে গরু
    দুটোর জন্য তার খুব মন খারাপ হয় । গরু
    দুটোর জীর্নশীর্ন শরীর দেখলে খুব
    মায়া লাগে । কলিম শেখের ধারনা তার
    শরীর দেখে গরু দুটোরও হয়ত মন খারাপ হয় ,
    মায়া হয় । মুখে হয়ত ওরা কিছুই
    বলতে পারে না , কিন্তু মাঝেমাঝে কেমন
    যেন মলিন দৃষ্টিতে তার
    দিকে তাকিয়ে থাকে ওরা !
    .
    কিরে ! গায়ে জোর নাই ! খাড়াইলি কেন ?
    চল চল , টান লাগা . .
    হ র র র . . হট . . হট . .
    কলিম শেখ গরু দুটোর সাথে অনবরত
    কথা বলে যাচ্ছে , আর গরু দুটো হাল
    টেনে চলেছে বিরামহীন । লাঙলের পলায়
    জমির বুক চিড়ে খন্ড বিখন্ড হয়ে যাচ্ছে ।
    কলিম শেখ বড় বড় চোখ
    করে তাকিয়ে আছে খন্ডিত মাটির
    টুকরোগুলোর দিকে । এ যেন মাটি নয় , এক
    এক টুকরো স্বপ্ন ।
    ধোঁয়াতোলা ধবধবে সাদা ভাতের
    স্বপ্ন . . . .
    .
    কলিম শেখের দুই ছেলে , দুই মেয়ে ।
    ছেলে দুটো বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেছে ।
    আর মেয়ে দুটোরও বিয়ে হয়ে গেছে সেই
    কবে ।
    .
    অনেক , অনেকদিন আগে বাবা রজব শেখ
    কলিমের হাতে তুলে দিয়েছিলেন এই লাঙল-
    জোয়াল । তখন কলিমের বয়স বার কি তের
    হবে । দীর্ঘ এতগুলো বছর কলিম শেখ সেই
    লাঙ্গল-জোয়ালের ভার বহন করে চলেছেন ।
    জীবনের এই পড়ন্ত বেলায় এসেও এতটুকু
    বিশ্রাম নেই , এতটুকু ক্লান্তি নেই ।
    ক্লান্তি হয়ত আছে , কিন্তু
    সেটা মেনে নিতে তিনি একেবারেই নারাজ
    । তাইতো আজও শক্ত হাতে ধরে রেখেছেন
    জীবনলাঙলের হাতল . . . .
    .
    ছেলে-মেয়েরা চেড়ে গেলে কি হবে , একজন
    কিন্তু এখনো চেড়ে যায় নি কলিম শেখকে ।
    যাকে তিনি পষ্ণাশ বছর আগে পেয়েছিলেন
    কোন এক ঝড়ের রাতে । সেই রাতের
    কথা কলিম শেখের স্মৃতিতে আজও উজ্জল ,
    যেন এই সেদিনের কথা . . . .
    .
    কলিম শেখের বয়স তখন ষোল কি সতের ।
    কি যেন এক কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেন রজব
    শেখ । বাঁচার কোন আশা নেই আর । একদিন
    রাতে তিনি সবাইকে ডেকে বললেন , আজ
    রাতেই তার সময় শেষ । মৃত্যুর
    আগে তিনি ছেলের বউয়ের মুখ দেখতে চান ।
    তাই তাড়াহুড়ো করে সেই রাতেই কলিম
    শেখের বিয়ে দেয়া হয় পাশের গ্রামের
    “নছিমন বেওয়া ” এর সাথে । নছিমনের
    গায়ের রং কিছুটা কালো ছিল । তাই বাসর
    রাতে নছিমনকে দেখে কলিম শেখের মুখটাও
    কিছুটা কালো হয়ে গেল ।
    ততক্ষনে বাহিরের আকাশটাও
    কালো হয়ে গিয়েছিল হয়ত । শুরু হল প্রচন্ড
    ঝড় । ভোর রাতের দিকে ঝড় থেমে গেল ,
    সেই সাথে থেমে গেল রজব শেখের জীবন
    প্রদীপও । কি অদ্ভুত ব্যাপার !
    লোকটা আগেই টের পেয়ে গিয়েছিল তার
    মৃত্যুর কথা !
    .
    হ র র র . . হট . . হট . .
    কলিমের চোখে পানি । অস্ফুট
    স্বরে তিনি বলে উঠলেন , কেমন আছেন
    আব্বা . .
    তারপর উত্তর দিকের ঐ ঝোপঝাড় ঘেরা পুকুর
    পাড়টার দিকে তাকালেন । সেখানেই
    ঘুমিয়ে আছেন রজব শেখ গত পষ্ণাশ বছর
    ধরে . . . .
    .
    দীর্ঘ এই জীবনে কলিম শেখ অনেক কিছুই
    হারিয়েছেন , অনেকেই
    তাকে চেড়ে চলে গেছে । কিন্তু সেই
    কালো মেয়েটি আজো রয়ে গেছে তার পাশে ।
    কলিম শেখ এবার হাল চেড়ে বসে পড়লেন ।
    কুয়াশা তাকে চারপাশ
    থেকে ঘিরে ধরেছে যেন । কলিম শেখ
    জানেন নছিমন আর বেশী দিন
    থাকবে না তার সাথে , যে কোন সময়
    চলে যেতে পারে ওপারের ঠিকানায় । গত
    পষ্ণাশ বছর ধরে এই কালো মেয়েটাই তার
    জীবনকে আলোকিত করে রেখেছিল , সেই
    আলো আজ নিভু নিভু ।
    .
    কলিম শেখ ভেবেই পায় না ,
    কিভাবে নছিমন বিহীন
    দিনগুলো কাটবে তার । প্রতিদিন
    সকালে কে ঘুম ভাঙিয়ে দেবে ? কে পানের
    খিলি বানিয়ে দেবে ? কাজ থেকে ফেরার
    পর কে শাড়ির আঁচলে ঘাম মুছে দেবে ?
    কে তালপাতার পাখায় ক্লান্তিহীন বাতাস
    করে যাবে ? জোছনা রাতে কে চাঁদের বুড়ির
    গল্প শুনাবে ? ঘুম না আসলে কে মাথায়
    বিনি কেটে দেবে ? ঝড়ের রাতে যখন
    বাবার কথা মনে পড়বে , তখন
    কে তাকে সান্তনা দেবে ?
    .
    নছিমনকে চাড়া একটি মুহুর্তও
    কল্পনা করতে পারেন না কলিম শেখ । সেই
    নছিমন আজ ধীরে ধীরে মৃত্যুর
    দিকে এগিয়ে চলেছে , অথচ তার কিছুই
    করার নেই . . . .
    .
    কলিম শেখ
    ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন . .
    গাই দুটো ঘাড় বাকা করে তাকিয়ে আছে তার
    দিকে । কি অদ্ভুত ব্যাপার ! গাই দুটোর
    চোখগুলোও কেমন ভেজা . . ! !
    .
    ঐতো সূর্য উঠে গেছে । কুয়াশা কাটতে শুরু
    করেছে । নরম রোদে চারপাশটা উজ্জল
    হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে । কলিম শেখও
    উঠে দাড়ালেন সত্তর ছুঁইছুঁই জরাজীর্ন এক
    শরীর নিয়ে । মাটির টুকরোয়
    জমে থাকা ফোঁটায় ফোঁটায় শিশির
    বিন্দুগুলো শুকাতে শুরু করেছে ধীরে ধীরে ।
    শুকাতে শুরু
    করেছে কোঠরে লুকিয়ে থাকা কলিম শেখের
    অশ্রুসিক্ত ছোট্ট ছোট্ট চোখ দুটোও ।
    .
    হ র র র . . হট . . হট . .
    স্বপ্ন কখনো মরে না ,
    কখনো থেমে থাকে না ।
    গরু দুটোর কাঁধে ভর
    দিয়ে এগিয়ে চলেছে জোয়াল , লাঙল । সেই
    সাথে এগিয়ে চলেছে কলিম শেখের স্বপ্ন ।
    নছিমনকে নিয়ে আরও অনেক দিন
    বেঁচে থাকার স্বপ্ন . . . .
  • তুমি ভালো আছো এটা জানলেই আমি ভালো থাকবো

    তুমি ভালো আছো এটা জানলেই আমি ভালো থাকবো


    তুমি ভালো আছো এটা জানলেই আমি ভালো থাকবো

    538709_505958166100626_1094365059_nমফস্বলের এক গেঁয়ো ছেলে। বাবা-মার ইচ্ছেকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে নিজের পুতুল খেলার মত জীবন ছেড়ে দিয়ে আসলো। সে ভর্তি হল শহরের ‘অনেক বড়’ একটি স্কুল এ। বড় স্কুল এর প্রথম দিন থেকেই তথাকথিত গেঁয়ো হবার সুবাদে সহপাঠীদের অবজ্ঞা আর শিক্ষকদের অবহেলার সম্মুখীন হতে হল। তারপর শুরু হল ,ধীরে ধীরে সব কিছু মানিয়ে নেবার অপচেষ্টা। তাতে কিছুটা সাফল্য অর্জিত হল আর বাকি সবটুকুই চেষ্টা ই বিফলে গেল। শত্রু ও নাকি বেশিদিন একসাথে থাকলে বন্ধু হয়ে যায়। যা হবার তাই হল। সবার সাথেই বন্ধুত্ব। অতঃপর বন্ধুতার অপার আনন্দে এক স্বপ্নিল জগতে হারিয়ে যাওয়া। দেখতে দেখতে ছেলেটি SSC পাশ করে গেল। চলে যায়নি অবশ্য। বাবা-মার সীমাহীন বাধার সম্মুখীন হয়েও শুধুমাত্র পুরনো বন্ধুগুলোর ভালোবাসার টানে সে আগের প্রতিষ্ঠানেই HSC তে ভর্তি হল। ‘কলেজ লাইফ’- Frankly Speaking , এ সময় টা নাকি ‘পাখা’ গজানোর সময়। ছেলেটা আর সবার থেকে খুব বেশি Special ছিলনা । So, তাঁর ও পাখা গজালো। কোন একজনকে ভালো ও লাগলো। তবে সেটা অবশ্যই ভালোবাসা ছিলোনা। ভালোবাসা মানে ‘কি ?’ সে তা জানতো ই না। জানা হয়তো উচিৎ ও ছিলনা। তার কাছে ভালোবাসা মানে ছিল, “একটা ছেলে একটা মেয়েকে পছন্দ করে। করতেই পারে। What’s so special on this ?” ছেলেটির বয়স বাড়তে থাকে। একদিন-দুদিন, একমাস- দুমাস করে। সে বুঝতে শেখে, ভালোবাসা মানে একটা ছেলে একটা মেয়েকে ‘Just Like’ করা নয়। এর চেয়েও বেশি কিছু। বেশি কিছু না, অনেক বেশি কিছুই। একটি মেয়েকে ছেলেটির ভালো লাগতো। হয়তো ছেলেটি মেয়েটিকে ভালো ও বাসতো। ছেলেটি খুব বেশি ভীতু না হলেও মেয়েটিকে ‘ভালোবাসি’ বলার মত সাহস তাঁর ছিলনা। আসলে সে তাঁর যোগ্যতা নিয়ে অনেক বেশি সন্দিহান ছিল। ছোটকাল থেকেই সে তাঁর বাবা-মার মুখে সে সুনে এসেছে, “তুই বড় হয়ে ট্রাক ড্রাইভার হবি।” কলেজ লাইফ এ কেউ কাউকে ভালোবাসলে নাকি,যাকে ভালোবাসে সে ছ জানতে পারে। তবে এক্ষেত্রে সেটা হয়নি। একান- ওকান করে কথাটা সবার কানেই গেল। ছেলেটি যাকে ভালোবাসতো তাঁর কানেও গিয়েছিলো। তাঁর প্রতিক্রিয়া খুব বেশি কিছু ছিলোনা। সে শুধু ছেলেটার সাথে আগের মত মিশত না। তবে ছেলেটি সবসময় ই সবার সাথে মিশতো। একদিন ছোট্ট একটি ব্যাপারে ছেলেটি মেয়েটিকে একটু বকা দেয়। মেয়েটি খুব বেশি অপমানিত বোধ করে, সাথে সাথেই কান্নার মাধ্যমে সেটার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এই কাজের ফলাফল স্বরূপ মেয়েটি ছেলেটির সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। ছেলেটি, মেয়েটির বান্ধবীদের কাছে থেকে অনেক বলে-কয়ে মেয়েটির নম্বর যোগাড় করে। তবে ফোন করে Sorry বলার মত সাহস তাঁর ছিলোনা। তাঁর পাক্কা ৩ দিন লেগেছিলো মেয়েটিকে Sorry জানাতে। তাও মুখে বলে নয় এক বাক্স চকোলেটের উপর লিখে। সেদিন মেয়েটি অবশ্য একটু জোরাজুরির পর চকোলেটের বাক্সটি নিল ও। তবে তাঁদের কথা বলা বন্ধ ই ছিল। এ ঘটনার ঠিক এক সপ্তাহ পরে মেয়েটির ফোন থেকে Message আসলো, “will you be my friend?”। Message টি পাবার সাথে সাথেই ছেলেটির জ্বর উঠে গেলো। সে অনেক কষ্টে ফিরতি Message পাঠালো, “YES”. তারপর শুরু হল পথছলা। প্রথমে বন্ধু হয়ে । তারপর ভালোবাসার মানুষ হয়ে। তাঁরা দুজন ই জানতো একজন আরেকজনকে ভালোবাসে । তবে কখনো বলা হয়ে ওঠেনি। একদিন সন্ধায় ছেলেটি কোথাও বেড়াতে জাচ্ছিল। সে মেয়েটিকে বলল যে, যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে তাদের হয়তো আর কখনো দেখা হবেনা। মেয়েটি আর নিজের মনের কথাগুলো লুকিয়ে রাখতে পারলো না। সে ছেলেটিকে জানিয়েই দিলো তাঁর ভালোবাসার কথা। ছেলেটির তখন আনন্দে আত্মহারা হবার পালা, যেন পুরো পৃথিবী তাঁর হাতের মুঠোয়। এভাবে তাদের স্বপ্নগুলো এগিয়ে যেতে থাকলো। তবে কথায় আছেনা, “রাত যত গভীর হয়,প্রভাত তত নিকটে আসে”; তেমনি “গোধূলির মায়াময় স্নিগ্ধ সময়ের পরই সন্ধ্যা নামে”। তাদের একসাথে বোনা স্বপ্নগুলোর সময়কাল ও হয়তো তাই দীর্ঘস্থায়ী হলোনা। তারপর মেয়েটি ধীরে ধীরে ছেলেটি থেকে আলাদা হয়ে যে ইতোমধ্যে তাদের HSC Test পরীক্ষা চলে আসায় ছেলেটি এত্তো কিছুতে নজর দেয়না। এ পর্যায়ে বলে রাখা ভাল, ছেলেটি জীবনের সব কিছুতেই অনেক উদাসীন ছিলো। তাঁর এ উদাসীনতা ই তাঁর জন্য ‘কাল’ হয়ে দাঁড়াল। ছেলেটি যখন মেয়েটিকে ঠিক ভাবে লক্ষ্য করা শুরু করলো, তখন সে বুঝে উঠলো- মেয়েটি আর তাকে ভালোবাসেনা। সে আজ অন্য কারো। অন্য কারো চোখে চোখ রেখে মেয়েটি হারিয়ে যায় স্বপ্নের সোনালি দিগন্তে। ছেলেটা তার মনের সব ব্যাথাকে মনের মাঝেই চাপা দিয়ে HSC পরীক্ষা দিলো। আশানুরূপ সাফল্য ও লাভ করলো। তারপর আবার বাবা-মার স্বপ্ন পুরনের লক্ষ্যে কোচিং এ ভর্তি হল। ছেলেটি ও মেয়েটি একি প্রতিষ্ঠান এ ই কোচিং করতো। তবে তাদের মাঝে কক্ষনো কোন কথা হয়নি। ভর্তি পরীক্ষা আসলো। দুজন ই ভর্তি পরীক্ষা দিলো। ছেলেটি মোটামুটি ভালো ফলাফল অর্জন করলো। প্রথমবারের মত তার কারনে সে তার বাবার মুখে কোনে হাসির রেখা দেখতে পেলো। এর চেয়ে বড় পাওয়া একজন সন্তানের জন্য কি ই বা হতে পারে। তার জীবন ভালো ই চলছিলো। নতুন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলো। নতুন বন্ধুরা তাঁর পৃথিবীটাকে আবার রঙিন করে ফেললো। ৩ জন বন্ধু ছেলেটির হৃদয়ের খুব বেশি কাছে চলে আসলো। যেন তাঁর নতুন জীবনের সূচনা হলো,নতুন অভিজ্ঞতায়, নতুন উপলব্ধিতে। হেসে-খেলে তাঁর জীবনটা ভালো ই যাচ্ছিলো। তারপর হঠাৎ একদিন মেয়েটির ফোন। প্রথমবার ফোন করে মেয়েটি কিছুই বললো না। তারপর ও ছেলেটি, মেয়েটির নিঃশ্বাসের শব্দতেই বুঝে নেয় যে কে ফোন দিয়েছে। সেদিন ছেলেটি মেয়েটির সাথে কথা বললো ঠিক ২ বছর পর। মেয়েটি বলেছিল সেদিন, তাঁর আগের ছেলেবন্ধুর সাথে তাঁর Break up হয়ে গিয়েছে। ছেলেটি সব গুলো কথা নিশ্চুপ হয়ে শুনে গেল। মেয়েটি এবার ও ছেলেটির বন্ধু হয়ে ই থাকতে চাইলো। ছেলেটা ঠিক আছে বললে ও, তাঁর বাঁধ ভাঙ্গা আবেগের কাছে হার মেনে,প্রথমবারের মত তাঁর সবটুকু অনুভূতিকে একসাথে জড়ো করে মেয়েটিকে বললো , “ভালোবাসি”। তারপর মেয়েটি ছেলেটিকে জানাল,তার আগের ছেলেবন্ধুর সাথে তাঁর শুধু মানসিক নয়, শারীরিক সম্পর্কও ছিল। এটা জানার পরও ছেলেটি মেয়েটিকে সান্ত্বনা দিল,এই বলে যে,এরকম ছোটোখাটো ভুলতো সবাই করে। ছেলেটি সেদিন নিজের ভেতর জ্বলে-পুড়ে গেলো। প্রথমবারের মত সে খুব বেশি অসহায়ত্ব অনুভব করলো। নিজেকেই নিজের কাছে অনেক হীন মনে হলো তাঁর। তারপরও একদিন সে মেয়েটিকে বলেই ফেললো, “তুমি যেভাবেই আছো তাতেই আমার চলবে,আমি তোমার অতীত জানতে চাইনা।” মেয়েটি ও প্রতিজ্ঞা করলো, “আমি আর কখনই তোমাকে ছেড়ে যাবোনা।” ছেলেটি তাঁর সবকিছু বিসর্জন দিয়ে হলেও মেয়েটিকে ফিরে পেতে চেয়েছিল। তবে মেয়েটির প্রতিজ্ঞা শুধু তাঁর একটা মুখের কথাই ছিল। তার অন্তরে হয়তো অন্য কিছু ছিল। সে আবার তার আগের ছেলে বন্ধুটির সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এবার ছেলেটি মেনে নিতে চায়না,তারপরও তাকে মেনে নিতে হয়। কারন ছেলেটা একবার মেয়েটিকে প্রতিজ্ঞা করেছিলো, “তুমি আমার সাথে থাক কিংবা না থাকো, তুমি ভালো আছো এটা জানলেই আমি ভালো থাকবো।” ছেলেটি আজ মেয়েটিকে ভালোবাসেনা , হয়তো ভালবাসতে চায় ও না। তারপর ও কেন জানি গভীর রাতে আজ ও তাঁর কক্ষ থেকে ভেসে আসে, “………. তুমি আবার আসবে ফিরে, বিশ্বাসটুকু দুহাতে আঁকড়ে ধরে…………” গানটির সুর।
  • একটি ভালবাসা ও প্রতারণার গল্প

    একটি ভালবাসা ও প্রতারণার গল্প

    একটি ভালবাসা ও প্রতারণার গল্প

    সত্য কাহিনী অবলম্বনে একটি সম্পূর্ণ গল্প । পড়ে হয়তো আপনাদের বিবেক এ নাড়া দিতে পারে…… গল্পটা একটু বড় এড়িয়ে যাবেন না …..
    ফেসবুক থেকে লগ আউট করার সময় হতাথ মিশু নামের একটি মেয়ের আইডি দেখতে পায় শুভ্র। মিচুয়াল ফ্রেন্ড অনেক ।শুভ্র এত মিচুয়াল ফ্রেন্ড দেখে মিশুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাথাল।এমনিতে শুভ্র খুব খুব দ্রুত মিলতে পারে। ফেসবুক আ আইডি খোলার পর থেকে অনেক অচেনা মানুষকে আপন করে নিয়েছে।বাড়িয়েছে বন্ধত্বের হাত । অনেক মেয়ের সাথেই তার খোলামেলা বন্ধুত্ব । ভার্চুয়াল জগতের এসব বন্ধুত্ব শুভ্র খুব উপভোগ ও করে। এদের মধ্যে দু একজন তার সত্যিকার ভাল বন্ধু হিসেবেও জীবনে আবির্ভূত হয়।
    দুই –তিন দিন পর মিশু শুভ্রর রিকুয়েস্ট গ্রহন করে । এরপর স্বভাবতই শুভ্র মিশু কে চ্যাট মেসেজ দেয়।মিশুও প্রতিত্তর দেয়। শুরুটা এইভাবে । এইভাবে প্রতিনিয়তই চলতে থাকে শুভ্র আর মিশুর চ্যাটইন ।মিশুর আগ্রহ দেখে শুভ্র মিশুকে তার ভাল বন্ধু বানাতে উৎসাহ প্রকাশ করে । এরপর দিন যায় ,সপ্তাহ যায় শুধুই ফেসবুক চ্যাটইন ,দুজনের মধ্যে একটা ভাল বন্ধুত্ব গড়ে উথে।পারিবারিক,বাক্তিগত অনেক কথাই তারা শেয়ার করে। তবে এর মাঝে সাহস করে মিশুর কাছে মোবাইল নাম্বার চায়।মিশু কোন রকম তাল-বাহানা ছাড়াই নাম্বার দিয়ে দেয়।এর পর মোবাইলেও তাদের চ্যাটইন,টকইন হত।মিশু রাত জেগে পড়াশুনা করত আর সেই সাথে ফেসবুক আথবা মোবাইলে শুভ্রর সাথে চ্যাটইন করত ।শুভ্রর তেমন রাত জাগার অভ্যাস ছিল না, তাই মাঝে মাঝে সে ঘুমিয়ে পরতো। আর তখুনি মিশু মোবাইলে কল দিয়ে শুভ্রকে উঠিয়ে চ্যাটইন করতে বলত।খুব সহজ আর সাবলীল ভাবে দুজনের মাঝে বন্ধুত্ব হয়,জানতে জানতে এক সময় শুভ্র জানতে পারে মিশুর পরিবার অনেক উচ্চ শিক্ষিত হলেও তাদের পরিবারে শান্তি ছিল না।তার এক মাত্র বড় ভাইয়ের বউ মানে ভাবি সব সময় ঝামেলা বাধিয়ে রাখতো। মিশুকে অকারণেই বকাঝকা করতো।একারণে মিশুর মন বেশিরভাগ সময়ই খারাপ থাকতো,আর তখন শুভ্র তার মন ভালো করার আপ্রান চেষ্টা করতো এবং করত ও ।
    মিশু ঢাকা সিটি কলেজ এ বিজ্ঞান বিভাগে পরতো তখন ,ywca স্কুল থেকে ২০১০ সালে এস এস সি পাশ করে।শুভ্রর সাথে আগে থেকে রাইফেলস পাবলিক , ywca ,ঢাকা সিটি কলেজ,হলি ক্রস ,এসব প্রতিষ্ঠানের মেয়েদের সাথে জানা শোনা ছিল ।শুভ্র তাই সবাইকে মিশুর সাথে বন্ধুত্বের কথা জানাতে চাইলো । কিন্তু মিশু জানাতে বারন করলো ।কারণতা অবশ্য বলল না । শুভ্র মোটামুটি ধনী পরিবারের ছেলে ।এটা মিশু জানতে পেরে তাকে পচাতে শুরু করলো । শুভ্র অবশ্য এতে কিছু মনে করল না।মিশু মেয়ে বলে যখন তখন বাসা থেকে বের হতে পারত না, তাই অনেক সময় শুভ্র মিশুর মোবাইলে রিচার্জ করে দিতো। প্রথম কয়েকবার মিশু রিচার্জ ব্যাক করতো ,পরে আর কখনই তেমন করতো না। শুভ্রর এটা নিয়ে তেমন কোন মাথা ব্যাথা ছিল না,বন্ধু ই তো !!
    মিশুর সমবয়সী তার এক খালাতো বোন ছিল ,নাম অসিন ।অসিন জানত শুভ্র আর মিশুর বন্ধুত্বের কথা।অসিনও ঢাকা সিটি কলেজ এ বিজ্ঞান বিভাগে পড়তো। অসিন অবশ্য অনেক আগে থেকেই শুভ্রর ফ্রেন্ড লিস্টে ছিল ,আর অসিনের যত বান্ধুবী ছিল সবাই ই ছিল বলতে গেলে। অসিনের সাথে মাঝে মাঝে শুভ্রর মিশু কে নিয়ে কথা হত ।মিশুর ফেসবুক ব্যবহার বা ছেলে বন্ধুর কথা বাসয় জানত না ।এরপর মিশু শুভ্রর সাথে দেখা করার জন্য বলতে লাগলো ।ফেসবুকে দুজনের কারোই কোন ছবি ছিল না তখন । তবে শুভ্র দেখা করতে চাইত না,দেখতে মোটা মুটি ছিল বলে। পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুল দে তে মিশু তার আরেক কাজিন সানজিদার(ধানমণ্ডি গার্ল স্কুলে ১০ শ্রেণীতে পরত)সাথে মোবাইলে কথা বলে দেয় । আর এ দিনেই মিশু শুভ্রকে প্রপোজ করে । আই লাভ ইউ বলে। শুভ্র তো ‘থ’ মেরে যায়। মিশুকে ও শুধু ভাল বন্ধু হিসেবেই দেখতো ও । আর দু জনে দেখাও হইনি তখন । মিশু বলে শুভ্র তাকে লাভ না করলে সে ইন্সুলিন নিবে । তবে শুভ্র বলে আমাকে এপ্রিল ফুল বানাতে চাচ্ছিস (ততদিনে তারা একে অপরকে তুই করে বলতে শুরু করেছে)মিশু তখন জোরাজুরি করে । আর শুভ্র তখন রেগে যায়। বন্ধুত্ব ভাংতে চায় ।পরে তাড়াতাড়ি মিশু বলে যে সে ফান করেছিল । তখন শুভ্র বলে যদি সে প্রপোস গ্রহন করতো তখন কি হত ? মিশু বলে রিলেশন হত । শুভ্র রিলেশন করতে চায় না,সবার সাথে বন্ধুত্বটাই সে উপভোগ করে আবার সমবয়সী কারও সাথেও তো রিলেশন করবে না বলেই তার পণ । আভাবেই চলতে লাগলো আর মিশুর চাপাচাপি বাড়তে লাগলো । সে শুধু দেখা করতে চাইছে । শেষমেষ শুভ্র দেখা করার জন্য রাজি হল ।এপ্রিল ফুল এর ৮/৯ দিন পর ।তখন শুভ্র ইস্টার্ন মল্লিকার পাশে মমিন স্যার এর বাসার সামনের গলিতে নির্ধারিত সময়ে দাড়িয়ে চিল,আর মিশু তার মায়ের সাথে স্যার এর বাসা থেকে আসলো । মিশুর সাথে মোবাইল ছিল না তখন কিন্তু সে তার মায়ের মোবাইল দিয়ে ম্যাসেজিং করতে ছিলো । দুজনের চোখাচোখি হলেও কোন কথা হয়নি । শুভ্র তার বাসায় ফিরে আসে।রাতে মিশু শুভ্রকে পিচ্ছি বলে টিটকারি মারতে থাকে,শুভ্র এটা বেশ উপভোগ করতে থাকে । কিন্তু এর পরই মিশুর ভীমরতি উথে,সে শুভ্র কে আবার প্রপোস করে বসে /আবার আর ফান নইয়,সত্যি সত্যি সে শুভ্রকে প্রস্তাব দেয় । শুভ্র হতবাক হয়ে না বলে দেয় । শুধু ভাল বন্ধু হয়ে থাকার অনুরোধ জানায় । কিন্তু বাড়াবাড়ি রকমের করতে থাকে । ঘুমের ঔষধ ,ইন্সুলিন ইত্যাদি খাবে বলে হুমকি দেয় । শুভ্র মিশুকে অনেক বকাঝকা করে। বন্ধুত্বই ছেরে দেয় শুভ্র । এর দুই দিন পর শুভ তার মায়ের সাথে তার নানা বাড়ি যাবার সময় মিশু কল দেয় । শুভ্র রিসিভ করে না । শেষে বিরক্ত হয়ে কল রিসিভ করে । মিশু কান্না কাটি করতে থাকে ফোনে । বার বার সরি বলে মাফ চায় । আর কখনও এমন পাগলামি করবে না বলে ওয়াদা করে । মিশুর কান্না কাটি শুনে শুভ্র তাকে মাফ করে দেয় । কিন্তু মায়ের সামনে কিছুই বলতে পারে না ,তাই বলে “করে দিলাম” । পরে কথা হবে । এই বলে কেটে দেয় শুভ্র ।
    আবার বন্ধুত্ব হয় । তাদের দেখাও হয় বেশ কয়েকবার এর পরে। মিশুর সাথে একই এলাকার আরেকটা মেয়ে (ঘনিষ্ঠ বান্ধুবি তারা ) মুনিরার সাথে মিশু কলেজ এ আসতো । যেদিন শুভ্রর সাথে দেখা করতো ঐদিন তাকে মিথ্যা বলে আগে পাঠিয়ে দিতো । এক সময় তারা ও সব জেনে যায় । এর মধ্যে মিশু প্রায়ই শুভ্রর কাছ থেকে মোবাইল রিচার্জ নিতো ,কিন্তু ব্যাক করতো না । মিশু এর কিছু দিন পরপরই শুভ্রকে প্রপোস করতে ত্থাকে । শুভ্রকে ছাড়া বাচবে না এসব কথা বলে ।শুভ্র বারবারই তাকে ফিরিয়ে দেয় । অনেকবার বকাঝকা করে । কথা বলা বন্ধ করে দেয় । পরে মিশুর বাহানা আর কান্না কাটি শুনে শুভ্র আবার মিশুকে ক্ষমা করে দেয় । এভাবেই চলতে লাগলো । শুভ্র ভাল একটা বন্ধু হারানোর ভয়ে বার বার মিশুকে ক্ষমা করে দেয় ।
    কিন্তু বাস্তব সত্যটা একটু অন্যরকমই ছিল । শুভ্র তখন টা জানত না । জানলে হয়তো অনেক আগেই ফ্রেন্ডশিপ ব্রেক করতো । যাই হোক সেসব কথায় পরে আসা যাবে !!বন্ধুতবতা অন্যরকম হয়ে গিয়েছিলো ।কিছুদিন খুব ভালো তো কিছুদিন খুব খারাপ । মিশুর পাগলামিতে এমন হয় আর তখনই মিশু তার বান্ধুবী শুভ্রের ফ্রেন্ডলিস্ট থাকা বন্ধুদের বলে বেড়াতে লাগলো শুভ্র তার বয় ফ্রেন্ড ।সবাই শুভ্রকে জিজ্ঞেস করতে লাগলো । এমনিতে মিশু বেশ সুন্দরী ই ছিল তবে একটু মোটা । শুভ্র খেপে যায় । মিশুকে আবার বকা ঝকা করলে লাগে । মিশু বাহানা দিতে থাকে ।শুভ্র এসবে কান না দিয়ে কথা বলা বন্ধ করে দেয় । এর পর আবার মিশু শুভ্রকে নানাভাবে বুঝতে থাকে , তার ছোটখাটো সমস্যা গুলো অনেক বড় করে দেখাতে লাগলো । বলল বাসায় ভাবি তাকে ঝালিয়ে মারছে ,সুইসাইড করতে ইচ্ছে করছে ।কান্না কাটি শুনে শুভ্র আবারও তাকে ক্ষমা করে ,এর মাঝে মিশুর জন্মদিনে শুভ্র মিশুকে একটা চমৎকার ব্রেসলেট উপহার দেয় । এতো শুন্দর ব্রেসলেট পেয়ে মিশুতো ভারী খুশি। পরে তারা ছায়ানীরে খায়
    মিশুরা চার বান্ধুবী ।মুনিরা ,মনি,মুন্নি ও মিশু ।মুনিরা এবং মিশু বেশির ভাগ সময় এক সাথে থাকতো । মনি ও মুন্নি ও তাদের ভাল ফ্রেন্ড ছিল ।তবে মুন্নির কাছে ওরা অনেক কিছু লুকাত । শুভ্রর বেপারটা ও তারা মুন্নি কে জানাতে চাই নি । এর মাঝে ভ্যালেন্টাইন ডে তে শুভ্র গাড়ি নিয়ে মিশুর সাথে দেখা করতে চায় । ঐদিন মুন্নি ও ছিল তাদের সাথে । তাই মুন্নি সব জেনে গেল । রেস্তুদেন্ট থেকে রবিন্দ্র সরোবরে গিয়ে বসল ।মনি ও মুনিরা কি জানি কিনতে যাবে বলে তাদের অখানে থাকতে বলল ।শুভ্র মিশুর জন্য সাদা গোলাপ আর একটা গিফট এনেছিল । কিন্তু সবার সামনে দিতে লজ্জা করছিল তাই ওদের বলল গাড়িতে আস্তে ।কিন্তু ওরা আসলো না । তাই শুভ্র রাগ করে ফুল এবং গিফট মাটিতে ফেলে চলে যায়। মিশু অনেকবার কল দেয় ওকে ফেরানর জন্য কিন্তু লাইন কেটে দেয় ।পরে রাতে মিশু সব দোষ মুন্নির উপর চাপিয়ে দেয় এর পর তাদের শেষ কথা হয় এস এইচ সি কামিস্ত্রি ২য় পত্র পরিক্ষার আগের দিন শুভ্র প্রতিটা পরিক্ষার ৮০% কমন একদম শর্ট সাজেশন মিশুকে দেয় । ম্যাথ সাজেশন ছিল না বলে আর কথা হই নি ।
    এবার আসা যাক বাস্তব সম্মত কথায় , , শুভ্র পরে যা নিশ্চিত ভাবে জানতে পারে ।মিশু এক প্রকার লোভী, সার্থপর আর সর্বশেষে চরিত্রহীনা ছিল । শুভ্রর সাথে কথা বলার সময় সে অন্য ছেলেদের সাথে rltn রেখেছে ।পরে মিশু টা স্বীকার করেছে ।এমন কি বয়সে ছোট ছেলের সাথে ও সে rltn করেছে ।তাদের কাছ থেকে ও মিশু টাকা দার নিতো কিন্তু ফেরত দিতো না ।তবে সে সব চেয়ে বেশি ব্যবহার শুভ্রকেই করেছে ।শুভ্র কে বিয়ে করতে চাইত সে। ভাবত শুভ্রর বউ হলে রাজরানী হয়ে থাকতে পারবে ।এমনকি সে তার মেয়ে বন্ধুদের পদে পদে ব্যবহার করেছে ।মুনিরার ভাই ডাক্তার বলে সে প্রায় চাইত মুনিরার ভাই এর সাথে আলাপ চারিতা করতে ।তবে মুলত মিশুর বাবা চাইত মুনিরার ভাই এর সাথে মিশুর বিয়ে দিতে । মিশু আর মুনিরা এক সাথে কলেজে যেত বলে তাদের ভাল জানা শুনা ছিল ।
    শুভ্র যখন মিশুকে না করে দিল ,তখন নানা অজুহাতে আরও চরম মিথ্যা কথা বলে মাফ চাইত ।কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল একটাই । শুভ্র কে নিজের করে রাখা ,সাথে অন্য ছেলে দের সাতঝে টাইম পাস ,শুভ্র কে তার বয় ফ্রেন্ড বানিয়ে সবার কাছে বলতে লাগল। শুভ্র যখন তার সাথে কথা বলা বন্ধ করল মিশু তখন তার বন্ধুদের মিথ্যা বলে শুভ্রর বিরুদ্দে লাগিয়ে দিল ।শুভ্রর তথা কথিত বন্ধুরা শুভ্র কে কিছু না জিজ্ঞেস করেই তাকে ফেসবুকে রিপোর্ট আর ব্লক করতে লাগল ,শুভ্র অনেক আগেই মিশু কে ব্লক করেছিল ।,সবার রেপরত পেয়ে শুভ্র ফেসবুক থেকে ওয়ার্নিং পায় ,বাস্তবতার ধাক্কায় শুভ্র হতবাক হয়ে যায় । বন্ধুত্বেকে বাজে ভাবে ব্যবহার করা একজনের সাথে তার বন্ধুত্ব ছিল এটা ভাবতেই টা গা সিউরে উঠে ।
    হতাথ মিশুর ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়, মিশু সরাসরি শুভ্রর উপর দোষ চাপায় । কিন্তু শুভ্র এসবের কিছুই জানত না ।তারা ছার বান্ধুবির পাসওয়ার্ড তাদের প্রত্যেকেই জানতো । মিশুর মিথে কথায় সবাই শুভ্র কে খারাপ ভাবতে শুরু করল । শুভ্র হারাতে লাগল তার আত্নসম্মান।একটা চরিত্রহীনার মিথ্যে কথায় ।
    মিশু শুভ্র সাথে কথা বলার পর মফিজ নামের একটি ছেলের সাথে rltn করে । এখন ও চলছে ।ছেলেটি ঢাকা সিটি কলেজ এর বিজ্ঞান বিভাগ এর ছাত্র ।
    সব সাবজেক্ট সাজেশন পাবার পর যখন দেখল তার গোল্ডেন এ + নিচ্ছিত তখন শুভ্র কে useless মনে হল । শুভ্র কে আর ব্যবহার করা যাবে না এটা একটা বড় কারন ।হায়রে মেয়ে । আর তোর বন্ধুত্ব !!
    মেয়েদের ভুবন ভুলানো কথা আর হাসিতে কতো ছেলে তাকে অন্ধের মত বিশ্বাস করে তার ইয়াত্তা নেই । মিশু মফিজ এর সাথে বেশ খুলাখুলি রিলেশন এ গিয়েছে বলে শুভ্র শুনেছে । তারা ঘুরতে যায় এটা শুভ্রর বন্ধুরা দেখেছে । হয়তো কিছু দিন পর মফিজকেও ব্যবহার করা শেষ হয়ে যাবে মিশুর ।তাদের কথা আর না ই বা বললাম ।হায়রে মানুষ !!!
    মানুষ নিজের স্বার্থের জন্য কত কি করতে পারে । নিজের চরিত্র বিসর্জন ও ?? অবশ্য এই সব মেয়েদের মধ্যে চরিত্র বলতে কিছু ছিল বলে মনে হয় না ।তারা জন্মায় ই নিজেদের পিচাশ বা চরিত্রহীনা হিসেবে পরিচিতি পাবার জন্য । আর বন্ধুত্বের মত পবিত্র সম্পর্ককে কালিমা লেপনের জন্য ।যখন বন্ধুকে (!) ব্যবহার শেষ হয় তখন তাকে সবার কাছে খারাপ বানিয়ে নাচতে নাচতে নতুন ব্যবহারযোগ্য বন্ধু বানায় ।
    ভাবতে পারেন এমন বন্ধুত্বের কথা ?? একবার ভাবুন তো এমনটা আপনার সাথে ঘটলে কি হত ??? নিজেকে শুভ্রর জায়গায় কল্পনা করুন তো ……???
    দেখুন তো মিশুকে মানুষ মনে হয় কি না???? কি মনে হয়………………………. ????????
    আপনাদের কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানান , মিশুদের মত কোন মেয়েরা যেন শুভ্রর মত আর কোন ছেলে কে ব্যবহার করতে না পারে সেই জন্য শেয়ার করুন

  • GET A FREE QUOTE NOW

    Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat.

    ADDRESS

    4759, NY 10011 Abia Martin Drive, Huston

    EMAIL

    contact-support@mail.com
    another@mail.com

    TELEPHONE

    +201 478 9800
    +501 478 9800

    MOBILE

    0177 7536213 44,
    017 775362 13